বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
spot_img
হোমসাক্ষাতকারবীমা দিবস আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ

বীমা দিবস আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ


নিজাম উদ্দিন আহমদ
চেয়ারম্যান মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও
কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড

বীমা দিবসটি আমাদের প্রত্যেকর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যাঁর জন্য আমরা এই দেশটা পেয়েছি। তিনি বীমা শিল্পে ছিলেন। বীমা শিল্প হলো মানুষের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। বীমা শিল্পের মাধ্যমে এদেশের মানুষ উপকৃত হবে এটাই উদ্দেশ্য। কিন্তু এখনো বীমা শিল্পের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের তেমন ভাবে আস্থা আসে নাই। যদিও ৭৫ টা কোম্পানীর মাধ্যমে আমরা (লাইফ ও নন লাইফ) মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। তবুও আমি মনে করি সার্বিকভাবে সেবা দেয়ার ব্যাপারে একশ ভাগ আমাদের মনের আশা পুর্ণ হয় নাই। যেহেতু বঙ্গবন্ধু বীমা শিল্পে ছিলেন, যার ফলে বীমা শিল্প তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বীমা শিল্পকে অবশ্যই একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে যাতে এই শিল্পের মাধ্যমে কোনো লোক প্রতারিত না হয়, কোনো কর্মী প্রতারিত না হয় এবং বীমা শিল্পকে জনবান্ধব শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বীমা শিল্পে আজকে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মাধ্যমে দীর্ঘ ২৬ বছরে আমরা প্রায় ৭ লক্ষ লোককে আমরা ক্লেইম মেচুরিটি দিয়েছে। যার পরিমান প্রায় ২৭শ কোটি টাকা। তারপরেও আমাদের কিছু ভুলত্রুটি হতে পারে আমি সে কথা বলবো না। তারপরও আমি বলবো বীমা শিল্পে মেঘনা লাইফ একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। কেউ বলতে পারবে না মেঘনা লাইফের কোনো মেচুরিট ক্লেইম প্রত্যাখান হয়েছে। মেঘনা লাইফের মাধ্যমে মেচুরিটির টাকা পেয়ে তারা বীমার উপকারিতা বা সার্থকতা পাচ্ছে।
আমি আশা করি এই বীমা দিবসের কার্যক্রমের মাধ্যমে বীমা শিল্পকে এমন একটি শিল্পে পরিণত করতে হবে যাতে করে প্রত্যেকটা মানুষ বীমা করে। বীমার মাধ্যমে তারা উপকার পায় এবং বীমা শিল্পকে আইনকানুনের মাধ্যমে সুষ্ঠু একটি শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
আমি মনে করি বীমা শিল্পটা যেহেতু বাংলাদেশে স্বাধীনতার পরে যাত্রা শুরু করেছে এ কারণে আইনকানুন-নিয়ম কানুন এখনো অনেকটা ঠিক হয়নি। এখনো আইডিআরএ-তে বীমা শিল্পের লোক খুবই কম। লোকবল, কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা কম। ৭৫টা কোম্পানীকে চালানোর জন্য আইডিআরএর লোকবল ও ইকুপমেন খুবই কম। আমি মনে করি আধুনিক বিশ্বের মতো সেই ইংল্যান্ড,আমেরিকা বা সিঙ্গাপুর এমনকি পাশের দেশ ভারতের মতো আমাদর বীমা শিল্পকে পরিচালিত করতে হলে আইডিআরএকে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
কমিশন নিয়ে যে কথা বলেছেন, এগুলো আস্তে আস্তে আইডিআরএ শক্তিশালী হলে ঠিক হয়ে যাবে এবং বীমা শিল্পের যারা মালিক যারা যদি মনে করে বীমা শিল্পটাকে ঠিক ভাবে চালাইতে হবে তাহলে, এই নিয়ম কানুনগুলো সুষ্টু ভাবে সম্পূর্ণ হলে বীমা শিল্পের মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হবে। বীমার যদি নিয়ম কানুন না থাকে, যারা বীমার বোর্ড তারা যদি সঠিক ভাবে নজর না দেয়, এবং বীমার এমডির নেতৃত্বে যে কর্মকর্তারা আছেন তারা যদি এইটার প্রতি সেইভাবে নজর না দেয়, নিয়ম কানুন না মানে তাহলে বীমা শিল্পের উন্নতি হবে না। বীমা শিল্প যাতে নিয়ম কানুনের মাধ্যমে চলে-এই প্রত্যাশা আমার এই দিবসে।

আরো দেখুন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত