Walton

ইন্টারনেটে কর কমিয়ে ধনীদের বাড়ানোর সুপারিশ সিপিডির

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২১ ১৫:১৯ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২১ ১৫:২১

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২১ ১৫:১৯

UCBL

ফাইল ফটো
আগামী অর্থবছরে ইন্টারনেটের সম্পূরক শুল্ক ও সোর্স ট্যাক্স প্রত্যাহার এবং জাতীয় বাজেটে ধনীদের আয়কর বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)।
 
এছাড়া বাজেটে স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, কৃষি ও শিক্ষার ওপর অধিক গুরুত্ব দেয়ার দাবি জানায় গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। সেই সঙ্গে বাজেটের অর্থ বরাদ্দ দেয়ার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেয়ার সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে-রি-অ্যাডজাস্টমেন্ট, রিকোভারি এবং রিফর্ম।
 
বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব সুপারিশ তুলে ধরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।
 
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, সিপিডির ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। মূল প্রতিবেদন তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির রিসার্চ ফেলো তৌফিক ইসলাম।
 
প্রতিবেদন তুলে ধরায় সময় তৌফিক ইসলাম বলেন, ধনীদের আয়কর গত বছর ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়। এটাকে আবার ৩০ শতাংশ ফিরিয়ে নেয়া উচিত। সামষ্টিক অর্থনীতি ও বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে এটা সামঞ্জস্য। বিভিন্ন দেশ এখন এটা করেছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ধনীদের কর হার বাড়িয়ে দিয়েছে।
 
ইন্টারনেটের সম্পূরক শুল্ক ও সোর্স ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ইন্টারনেটের ব্যবহার এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটা শুধু ধনীরা ব্যবহার করেন এখন আর এমনটা নেই। অনেক সাধারণ মানুষকে শিক্ষার কাজে বা অন্য কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে। যে ধরনের করকাঠামো এখানে আছে, আমরা মনে করি এটা সহায়ক অবস্থায় নেই। আমরা সুপারিশ করছি সম্পূরক শুল্ক যে ১৫ শতাংশ আছে তা প্রত্যাহার করা। সেই সঙ্গে ১ শতাংশ যে সোর্স ট্যাক্স রাখা হয়েছে তাও প্রত্যাহার করা। এখন শুধুমাত্র যে ৫ শতাংশ ভ্যাট আছে সেটাকে রেখে, এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
 
এ সময় তিনি বলেন, ব্যবসার জন্য যে সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়েছে তা অব্যাহত রাখতে হবে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য সেবার গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক মওকুফ করা উচিত। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া বন্ধ করতে হবে, যদিও এর মাধ্যমে কিছু রাজস্ব আদায় হয়।
 
বাজেট ঘাটতি মেটানোর ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের ওপর জোর দেয়ার দাবি জানিয়ে তৌফিক ইসলাম বলেন, ব্যাংক থেকে ঋণ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ব্যাংক খাতে বড় পরিমাণে অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। আমরা অতিরিক্ত ব্যয়ের কথা বলছি, সে ক্ষেত্রে বাজেট ঘাটতি যদি বেশি হয়, তাহলে ব্যাংক থেকে টাকা নেয়ার ক্ষেত্রে সংকোচ না করাটাই যুক্তিযুক্ত হবে। কারণ এখন বেসরকারি খাতে চাহিদা কম।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top