করোনার টিকা বিক্রি, ইপিআই পোর্টার বহিষ্কার | স্বাস্থ্য | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮
স্বাস্থ্য

করোনার টিকা বিক্রি, ইপিআই পোর্টার বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২১ ২০:২০ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪:৫৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২১ ২০:২০


সাময়িক বরখাস্ত জাকির হোসেন

করোনার টিকা বিক্রির অভিযোগে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ইপিআই পোর্টার (ভ্যাকসিন বাহক) জাকিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান মিথেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৯ আগস্ট উপজেলার মরাদোন গ্রামে ও ২২ আগস্ট ঠাকুরচর গ্রামে টাকার বিনিময়ে সিনোফার্মের টিকা দেন জাকির। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. শাখাওয়াত উল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতে উদ্যোগ নেন।

ওই ঘটনায় মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাইনুল ইসলাম মোনাসকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. জাবেদ ইকবাল ও পরিদর্শক খলিলুর রহমান।

তদন্ত কমিটি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৩১ পিস সিনোফার্ম করোনার টিকা দেওয়ার প্রমাণ পায়। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ডা. নাইমুল ইসলাম মোনাস বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত চলছে। জাকিরের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান মিথেন বলেন, ‘জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ডিজি বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি। তার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মো. শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘এমন ঘটনা সত্যই দুঃখজনক। বিষয়টি জানার পরই আমি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেই। কমিটির সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, জাকির টিকাগুলো বহন করতেন। এটি ছিল তার দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে কাজ। সবার অগোচরে তিনি কিছু টিকার ডোজ সরিয়ে একটি বাড়িতে গিয়ে টিকাগুলো দেন। আমরা জানতে পেরে তাকে বরখাস্ত করেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মতে তার বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই ওই ব্যক্তি বিষয়টি স্বীকার করেছেন। আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা করবো।

 

এ কে




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top