আমাদের আলোকবর্তিকা | শোকাবহ আগস্ট | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮
শোকাবহ আগস্ট

আমাদের আলোকবর্তিকা

আনোয়ার কবির

প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট ২০২১ ২৩:৫৫ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৬:২২

আনোয়ার কবির | প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট ২০২১ ২৩:৫৫


অলংকরণ : রাজিব হাসান

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন ১৭ মার্চ। ১৯২০ সালের এ’দিনে তিনি গোপালগঞ্জ জেলার শান্ত শিষ্ট ছায়া নিবিড় নিভৃতগ্রাম টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এ বছরও জাতির পিতার জন্ম শতবর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। গতবছর শুরু হওয়া জন্ম শতবার্ষিকী এ বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকীকে ‘মুজিববর্ষ’ নামে পালন করা হচ্ছে। ইউনেস্কোর মাধ্যমে সারাবিশ^ব্যাপী এই উৎসব উদযাপন করা হচ্ছে। কৃতজ্ঞ জাতি কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করছে তার জাতির জনককে। জাতির জনকের এই জন্ম শতবার্ষিকী ও জন্মদিন আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের ও আনন্দের। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য গৌরবমণ্ডিত অত্যন্ত অর্থবহ ও তাৎপর্যমণ্ডিত।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র ৫৫ বছর সাড়ে ৪ মাস আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁর অর্জন ত্যাগ তিতিক্ষা হাজার বছরকে ছাড়িয়ে গেছে। আর তাই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে বঙ্গবন্ধু বিহীন আর কারো কথা চিন্তাও করা যায় না। বাঙালি জাতির জীবনে তিনি ইতিহাসের রাখাল রাজা। হাজার বছরের ইতিহাসে তাঁর নেতৃত্বে বাঙালিরা প্রথম একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের অধিকারী হয়। বিশে^র মানচিত্রে আমরা বাঙালিরা একটি গর্বিত জাতি হিসেবে স্থান করে নিই।
বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন আশা আকাঙ্খা নিয়ে দীর্ঘদিন এই জাতির মুক্তির লড়াই চালিয়েছেন, জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছেনÑ তাঁর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একমাত্র একটি সুখি সমৃদ্ধ জাতি রাষ্ট্র তৈরি হতে পারে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন আশা আকাঙ্খা তাঁর আত্মজীবনী, লেখালেখি, বিভিন্ন ভাষণ, সহকর্মীদের মাধ্যমে চির জাগরুক হয়ে আছে।
বাংলাদেশের জন্মের পেছনে বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগ জেল জুলুম নির্যাতন শিকারের বিষয়গুলো আজ ইতিহাসের অংশ। আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। এই জাতির আশা আকাঙ্খা স্বপ্নের মূর্ত প্রতীক ছিলেন আমাদের জাতির জনক। ছোটবেলায় রাজনৈতিক জীবনের শুরুর থেকে আমৃত্যু তিনি কোন অন্যায়ের কাছে আপোষ বা মাথা নত করেননি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৪ খণ্ডে পাকিস্তান গোয়েন্দাদের নথিতে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্যা ন্যাশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ ভলিয়্যুম-১ (১৯৪৮-১৯৫০) খণ্ডের মুখবন্ধে লিখেছেনÑ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কোলকাতায় ইসলামিয়া কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেন। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের আইন বিভাগে মাস্টার্সে পড়াশোনা শুরু করেন। মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন শুরু করেন ১৯৪৮ সালের মার্চ মাস থেকে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিদের দাবি-দাওয়ার আন্দোলনকে সমর্থন করেন। এরফলে কারাবরণ করতে হয় এবং এক পর্যায়ে বিশ^বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হন। যদিও মুচলেকা ও জরিমানা দিয়ে যারা বহিষ্কৃত ছিল তারা ছাত্রত্ব ফিরে পায় কিন্তু শেখ মুজিব তা করেন নাই বলে তাঁর বহিষ্কারাদেশ বহাল থাকে। এক্ষেত্রে তার বক্তব্য ছিল, “আমি কোন অন্যায় দাবি করি নাই, অত্যন্ত ন্যায় সঙ্গত দাবি করেছি। মুচলেকা ও জরিমানা দেয়ার অর্থ হলো দোষ স্বীকার করে নেওয়া, আমি তা করবো না।”
পুরো পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব বাংলা) স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু অগ্রণী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ৬ দফার আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন সকল জায়গায় এই জাতির স্বার্থের বিষয়ে আপোষহীন ছিলেন তিনি। পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তনের জন্য পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অপচেষ্টার বিরুদ্ধেও গর্জে ছিলেন। ৫ জুন ১৯৫৫ সালে বঙ্গবন্ধু গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ১৭ জুন ঢাকায় পল্টন ময়দানের জনসভা থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন দাবি করে ২১ দফা ঘোষণা করা হয়। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা না হলে দলীয় সদস্যরা আইনসভা থেকে পদত্যাগ করবেন। ২৫ আগস্ট করাচিতে পাকিস্তানের গণপরিষদে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেনÑ “স্যার (স্পিকার) আপনি দেখেবেন ওরা ‘পূর্ব বাংলা’ নামের পরিবর্তে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নাম রাখতে চায়। আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছি যে, আপনারা এটাকে বাংলা নামে ডাকেন। ‘বাংলা’ শব্দটার একটা নিজস্ব ইতিহাস আছে, আছে এর একটা ঐতিহ্য। আপনারা এই নাম আমাদের জনগণের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে পরিবর্তন করতে পারেন। আপনারা যদি ঐ নাম পরিবর্তন করতে চান তাহলে আমাদের বাংলায় আবার যেতে হবে এবং সেখানকার জনগণের কাছে জিজ্ঞেস করতে হবে তারা নাম পরিবর্তনকে মেনে নিবে কি না। এক ইউনিটের প্রশ্নটা শাসনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আপনারা এই প্রশ্নটাকে এখনই কেন তুলতে চান? বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার ব্যাপারে কি হবে? যুক্ত নির্বাচনী এলাকা গঠনের প্রশ্নটারই কি সমাধান? আমাদের স্বায়ত্তশাসন সম্বন্ধেই কি ভাবছেন?” (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান, পৃষ্ঠা ২৯৩-২৯৪)
জাতির পিতা একটি সুখি সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলার স্বপ্ন ছিল তাঁর। ধর্মের অপব্যবহার, অপব্যাখ্যা গোড়ামী প্রচণ্ড কষ্ট দিত তাঁকে। পবিত্র ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যা অপব্যবহার রোধে সচেষ্ট ছিলেন তিনি। সত্যিকারের একটি অসাম্প্রদায়িক পবিত্র দ্বীনি সমাজের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। দুঃখজনক হলেও সত্য তাঁর বর্ণাঢ্যময় রাজনৈতিক জীবনে বারবার তিনি ধর্ম ব্যবসায়ী, ধর্মের অপব্যাখ্যাকারী অপব্যবহারকারীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। কিন্তু প্রকৃত ইসলামে বিশ^াসী সাধারণ জনগণের নিরঙ্কুশ সমর্থন পেয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের ইতিহাসে দু’টি নির্বাচন ১৯৫৪ ও ১৯৭০ সালের নির্বাচনেও ধর্ম ব্যবসায়ীরা এই অপচেষ্টা চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের সম্পর্কে তিনি লিখেছেনÑ ‘এই নির্বাচনে (১৯৫৪) একটা জিনিস লক্ষ্য করা গেছে যে জনগণকে ‘ইসলাম ও মুসলমানের নামে’ শ্লোগান দিয়ে ধোঁকা দেওয়া যায় না। ধর্মপ্রাণ বাঙালি মুসলমানেরা তাদের ধর্মকে ভালোবাসে; কিন্তু ধর্মের নামে ধোঁকা দিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি করতে তারা দিবে না এ ধারণা অনেকেরই হয়েছিল। জনসাধারণ চায় শোষণহীন সমাজ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি।’ (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান, পৃষ্ঠাÑ ২৫৮)। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে পাকিস্তান বেতার ও টেলিভিশনে প্রদত্ত ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেনÑ ‘আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে, আমরা ইসলামে বিশ^াসী নই। এ কথার জবাবে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য, আমরা লেবাস সর্বস্ব ইসলামে বিশ^াসী নই। আমরা বিশ^াসী ইসনাফের ইসলামে। আমাদের ইসলাম হযরত রাসূল করীম (সা)-এর ইসলামে। যে ইসলাম জগতবাসীকে শিক্ষা দিয়েছে ন্যায় ও সুবিচারের অমোঘ মন্ত্র। ইসলামের প্রবক্তা সেজে পাকিস্তানের মাটিতে বার বার যারা অন্যায় অত্যাচার শোষণ-বঞ্চনার পৃষ্ঠপোষকতা করে এসেছে, আমাদের সংগ্রাম সেই মুনাফেকদের বিরুদ্ধে। যে দেশের শতকরা ৯৫ জনই মুসলমান সে দেশে ইসলাম বিরোধী আইন পাসের কথা ভাবতে পারেন তারাই, ইসলামকে যারা ব্যবহার করেন দুনিয়াটা ফারস্থা করে তোলার কাজে।’
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর (১৭ মার্চ ১৯২০-১৫ অগস্ট ১৯৭৫) জীবন মাত্র ৫৫ বছর সাড়ে ৪ মাস। এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে তিনি আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্মের মহানায়ক। তাঁর এই ক্ষণস্থায়ী জীবন বিপুল বর্ণাঢ্য ও গৌরবময়। তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন ছিলেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীন এই রাষ্ট্রের যেমন স্থপতি একইভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের উন্নয়ন, নির্মাণেরও পুরোধা ব্যক্তিত্ব। ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব, দেশ পূর্নগঠনে তাঁর গৃহীত ও বাস্তবায়িত কর্মসূচিসমূহ আজো আমাদের পাথেয়। শাসনামলের সাড়ে তিন বছরে তিনি দেশ নির্মাণের যে ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছিলেন সেই ভিত্তিমূলের উপর দাঁড়িয়ে আছে আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ। সে সময়ে তার কার্যক্রম ও সাফল্যসমূহ সব সময়ে পথ দেখাবে আমাদের। বঙ্গবন্ধু যেমন এই স্বাধীন দেশের স্থপতি ঠিক একইভাবে এদেশে পবিত্র ইসলাম ধর্মের প্রচার প্রসারেরও স্থপতি। ১৯৭২ সালের ৪ অক্টোবর খসড়া সংবিধানের উপর আলোচনায় বঙ্গবন্ধু তাঁর স্বভাবসুলভ দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেনÑ ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্ম কর্ম করার স্ব স্ব অধিকার অব্যাহত থাকবে। আমরা আইন করে ধর্মচর্চা বন্ধ করতে চাই না এবং তা করবোও না, মুসলমানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের বাঁধা দেয়ার ক্ষমতা রাষ্ট্রের কারও নেই। হিন্দুরা তাদের ধর্ম-কর্ম পালন করবে, কেউ তাদের বাঁধা দিতে পারবে না। বৌদ্ধরা তাদের ধর্ম, খ্রিষ্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, কেউ তাদের বাঁধা দিতে পারবে না। আমাদের আপত্তি হলো এই যে, ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। যদি কেউ বলে যে, ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়েছে, আমি বলব, ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী মুজিববর্ষের চলমান এই মাহেন্দ্রক্ষণে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করছি তাঁকে। জাতির পিতার অভাব আমাদের কখনো পূরণ হবার নয়। ঘাতকের বুলেটে তিনি স্বপরিবারে শাহাদাৎবরণ করলেও রয়ে গেছেন আমাদের সকলের হৃদয়ের মণিকোঠায়। বর্তমানে তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মাথার উপর ছায়া হয়ে বিরাজ করছেন। জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পাদনের লক্ষ্যে দিন রাত পরিশ্রম করছেন। জাতির পিতার দেখানো পথে একটি অসাম্প্রদায়িক সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে। আজ আমরা দারিদ্য থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি। এগিয়ে যাচ্ছি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলার পথে। আমাদের হৃদয়ে মননে চেতনায় সদা জাগ্রত জাতির পিতা। জাতির পিতাকে হারানোর ব্যাথা বেদনা শোক শক্তিতে পরিণত হয়ে আজ কাঙ্খিত পথে এগিয়ে যাচ্ছে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা। কবি সুফিয়া কামালের ‘ডাকিছে তোমারে’ কবিতার চরণ উদ্বৃত করে বলতে পারিÑ
‘এই বাংলার আকাশ বাতাস, সাগর গিরি ও নদী
ডাকিছে তোমারে বঙ্গবন্ধু? ফিরিয়া আসিতে যদি
হেরিতে এখনো মানব হৃদয়ে তোমার আসন পাতা
এখনও মানুষ স্মরিছে তোমারে, মাতা পিতা বোন ভ্রাতা।’

জাতির পিতার জন্ম শতবর্ষ ‘মুজিববর্ষ’ কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করুক। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা লাভ করুক এই প্রত্যাশা করি।


আনোয়ার কবির : লেখক, গবেষক, সাংবাদিক

 




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top