আর্থিকখাতের দুর্নীতি বন্ধে হচ্ছে নতুন ১৫ আইন | জাতীয় | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি

আর্থিকখাতের দুর্নীতি বন্ধে হচ্ছে নতুন ১৫ আইন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭ জুন ২০২১ ১৫:৪৯ আপডেট: ২৩ জুন ২০২১ ০৯:১২

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ৭ জুন ২০২১ ১৫:৪৯

UCBL

ফাইল ফটো

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, আর্থিকখাতের অনিয়ম দুর্নীতি দূর করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আগামী এক বছরের মধ্যে ১৫টি আইন করা হবে।

সোমবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২০-২১ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাসের প্রস্তাবের সময় দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্পূরক বাজেটে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের মঞ্জুরি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীদল, জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বক্তব্যের সময় দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে আর্থিকখাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

ছাঁটাই প্রস্তাব তোলার সময় তারা বিদেশে টাকা পাচার, পুঁজিবাজারের অব্যবস্থাপনাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে সমালোচনা করেন।
তাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের কষ্টে অর্জিত টাকা বিদেশে চলে যাবে, আপনাদের যেমন লাগে, আমারও লাগে। আমি অনিয়ম, বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে। আমরা সবাই চাই, এগুলো বন্ধ করতে হবে, বন্ধ হচ্ছে। আগের মত অবস্থা নেই। একটার নাম করে আরেকটা আসতো। আগামী ছয় থেকে ১২ মসের মধ্যে ১৫টি আইন দেখতে পারবেন। এগুলো বন্ধ করার জন্য। কারা করে জানি না, অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, অকার্যকর সিস্টেম জন্য এগুলো হয়। আমরা সংস্কারমুখী কাজ করবো। নতুন নতুন আইন করবো। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে দায় নিয়ে কাজ করতে পারে, সে ব্যবস্থা করে দেব। কোনো টলারেন্স নেই এখানে। টাকা এখন দেশে আসে।

বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, কারা বিদেশে টাকা নিয়ে যায় তা আমার জানা নেই। লিস্ট আমার কাছে নেই। নামগুলো আমাদের দেন। কাজটি করলে আমাদের জন্য সহজ হবে। এখনও অনেকেই জেলে আছে, বিচার হচ্ছে। আগে যেমন ঢালাওভাবে চলে যেত, এখন তেমন নেই।

এর আগে মঞ্জুরি দাবির আপত্তি জানিয়ে ছাঁটাই প্রস্তাব তোলার সময় বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, বাজেটের অংকের হিসাব মেলাতে পারছি না। ঘাটতি কোথায়? কোথা থেকে টাকা আনবে? প্রবৃদ্ধির কথা বলছি। করোনাকালীন সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে করোনা নিয়ন্ত্রণে। না হলে প্রবাস আয়, গার্মেন্টসখাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রবৃদ্ধির জন্য লাফাচ্ছি। সূচের ফোটা দিলে বেলুনের মত চুপসে যাবে। করোনা নিয়ন্ত্রণ না হলে গার্মেন্টস আর প্রবাস আয় কমে যাবে। করোনা নিয়ন্ত্রণ না করলে ভয়ানক ধস নামবে।

তিনি বলেন, দুর্নীতির কারণে আর্থিকখাত ক্ষতিগ্রস্ত। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা জিরোটলারেনন্স। অর্থমন্ত্রী বললেন, অপ্রদর্শিত আয় নিয়ে। এটা সাংঘর্ষিক। দুর্নীতি, মাদক, অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে বিত্ত গড়ে তুললে তাকে সুযোগ দিয়ে ন্যায় করা হবে না। বেহালদশা থেকে জাতি থেকে মুক্ত করতে হলে করোনাকালীন সময়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মেগা প্রকল্প বাদ দেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ খাতে মঞ্জরি দাবির ছাচাইয়ের প্রস্তাবে ওপর বক্তব্যের সময় হারুনুর রশিদ রাস্তার কাজে বিদেশ থেকে নিম্নমানের বিটুমিন আমদানির সমালোচনা করেন।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top