মামুনুল হকের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ | জাতীয় | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮
জাতীয়

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

অপরূপবাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ১৫:১৬ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ২০:২৮

অপরূপবাংলা ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ১৫:১৬


মামুনুল হককে আটক করে নেয়া হচ্ছে

২০২০ সালে রাজধানীর মোহাম্মাদপুরে একটি ভাঙচুরের মামলায় হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তর করা হয়েছে। রোববার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১ মাস ধরে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতের আন্দোলনসহ নানা বিষয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে মাওলানা মামুনুল হক।

নরেন্দ্র মোদির সফরের সময় ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সহিংসতায় দেশে ১৭ জনের মৃত্যুর হয়। এসব সহিংসতার ঘটনায় সারাদেশে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা হয়েছে। এসব ঘটনার মূল ইন্ধনদাতা হিসেবে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের দিকেই সন্দেহের তীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা যায়, ২৬ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় গত ৫ এপ্রিল হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ২ হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দফতর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি করেন।

রয়াল রিসোর্টকাণ্ড
সম্প্রতি মামুনুল হক সব থেকে বেশি আলোচনায় আসেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়াল রিসোর্টে এক নারীসহ অবরুদ্ধ হওয়াকে কেন্দ্র করে। এ ঘটনা দেশব্যাপী আলোচনা সৃষ্টি করে। মামুনুল হল দাবি করেন ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। গত ৩ এপ্রিল মামুনুল হকের অবরুদ্ধের ঘটনায় তার সমর্থকরা ব্যাপক ভাঙচুর করে রয়াল রিসোর্টে।

রিসোর্টটিতে ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গত ৬ এপ্রিল রাতে সোনারগাঁ থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলা পুলিশ বাদী হয়ে ও অপর মামলাটি আহত এক সাংবাদিক বাদী হয়ে করেছেন। এই তিন মামলার মধ্যে একটি মামলায় মামুনুল হককে প্রধান আসামিসহ ৮৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আরও ৬শ’ জনকে ‘অজ্ঞাতনামা’ হিসেবে আসামি করা হয়েছে।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের ঘটনার পর থেকে একের পর এক মাওলানা মামুনুল হকের কণ্ঠের মতো অডিও ফাঁস হয়। এসব অডিও ইতোমধ্যে সামাজিকমাধ্যম ইউটিউব ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব অডিওতে যে কণ্ঠ উঠে এসেছে তা মামুনুল হকের কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া অডিও ফাঁস হয়েছে সেটি রিসোর্টে অবরুদ্ধ নারী জান্নাত আর তার প্রথম স্ত্রীর কি না নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ঘটনার রেষ কাটতে না কাটতে মামুনুল হকের দাবি করা তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ ছেলে আব্দুর রহমান গণমাধ্যমে তার মায়ের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন। সোমবার (৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাওলানা মামুনুল হক সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করে আব্দুর রহমান তিন মিনিট দুই সেকেন্ডের একটি বক্তব্য দেন। যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মামুনুল হককে প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে উল্লেখ করে নানা অভিযোগ করেন। পরে তিনি তার মা নিখোঁজ এই মর্মে পল্টন থানায় একটি জিডি করেন।

নিজের বোনকে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হকের স্ত্রী দাবি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মো. শাহজাহান নামে এক ব্যক্তি ১১ এপ্রিল একটি সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেছেন। তার বোন জান্নাতুল ফেরদৌস ওরফে লিপি নিখোঁজ রয়েছেন এই মর্মে জিডি করেছেন।

মো. শাহজাহান জিডিতে উল্লেখ করেন, জান্নাতুল ফেরদৌসের স্বামী হচ্ছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হক। জিডি করার সময় তিনি তাদের দুই জনের বিয়ের চুক্তিনামা দেখান।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top